Monday, August 19, 2019

Provati24news/ Last 24 hours

Provati24news/ Last 24 hours সারা বিশ্বের সকল খবর, সবার আগে,জানতে- প্রভাতী২৪নিউজ

Friday, August 16, 2019

ফেসবুক পোস্ট শেয়ার হবে হোয়াটসঅ্যাপে

সম্প্রতি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ফেসবুক জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফেসবুক এ দুই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে কাছাকাছি আনার জন্য তারা একটি নতুন ফিচার উদ্ভাবন করছে যার মাধ্যমে একটি ক্লিক বা স্ক্রিন ট্যাপ করলেই কোনো ফেসবুক পোস্ট সঙ্গে সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দেয়া যাবে। হোয়াটসঅ্যাপের বন্ধুদের যাতে আপনি সহজেই ফেসবুক পোস্ট শেয়ার করতে পারেন সেই কারণেই এ নতুন ফিচার উদ্ভাবন করে ফেসবুক।

ডেঙ্গু রোগী ও পরিসংখ্যান

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ৪৯ হাজার ৯৯৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছের ৪০ জন।
সরকারি পরিসংখ্যানে, রাজধানীর সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত মাত্র ৪০টি ও ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বিভাগীয় হাসপাতালে ভর্তি রোগীকে এ হিসাবে দেখানো হয়। কিন্তু বাস্তবে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক গুণ বেশি! সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা মাত্র ৪০ জন বলা হলেও বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালের তথ্য অনুসারে এ সংখ্যা কমপক্ষে দ্বিগুণ।তবে আশার কথা হলো ডেঙ্গু আক্রান্ত হাসপাতালে ভর্তি ৫০ হাজার রোগীর মধ্যে ইতোমধ্যেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪২ হাজার ২৪৩ জন অর্থাৎ আক্রান্তদের ৮৪ শতাংশ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নতুন আরও এক হাজার ৭১৯ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়।

তথ্যমতে, সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গুরোগী ভর্তি আছেন ৭ হাজার ৭১৬ জন, যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ হাজার ১৫ জন।  গত জানুয়ারি থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত হাসপাতালগুলোর তথ্যানুযায়ী সর্বমোট ডেঙ্গু আক্রান্ত ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ৪৯ হাজার ৯৯৯ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে চলে গেছেন ৪২ হাজার ২৪৩ জন। আর এ যাবত ডেঙ্গু রোগে মারা গেছেন ৪০ জন।বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নতুন এক হাজার ৯২৯ জন ভর্তি হন।


সারা বিশ্বের সকল খবর, সবার আগে,জানতে- প্রভাতী২৪নিউজ

ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে আগামী ১৭ আগষ্ট থেকে

ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে আগামী ১৭ আগস্ট থেকে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এসব ফ্লাইটের কার্যক্রম চলবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত ৪ জুলাই থেকে চলতি বছরের হজ ফ্লাইট শুরু হয়ে ৫ আগস্ট শেষ হয়। 

তথ্যমতে, সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এ বছর হজ করেছেন মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। হজ ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ সর্বমোট হজযাত্রী ছিলেন ১ লাখ ২৭ হাজার ১৫২ জন। এ বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ১০ আগস্ট।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুমোদিত ৫৯৮টি হজ এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান ও সৌদিয়া এয়ারলাইন্স এর ফ্লাইটে ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ এসব হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছান। হজ শেষে এবার তারা দেশে ফেরার অপেক্ষায়।
তবে ধর্ম মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, এবছর হজ করতে গিয়ে গতকাল ১৪ আগস্ট পর্যন্ত মারা গেছেন ৭২ জন হজযাত্রী। এদের মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ৬৫ জন, মদিনায় ৬ জন এবং জেদ্দায় একজন। মারা যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে পুরুষ ছিলেন ৬৩ জন এবং নারী ছিলেন ৯ জন।

সারা বিশ্বের সকল খবর, সবার আগে,জানতে- প্রভাতী২৪নিউজ

Friday, August 9, 2019

ঈদে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ৮ দিন, শিক্ষকদের ২ দিন

চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর উদ্দেশে ফের পরিপত্র জারি করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ৭ আগস্ট ওই পরিপত্র জারি করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, চলমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসমূহ সকল প্রকার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এর ধারাবাহিকতায় দেশের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে! পবিত্র ঈদ-উল আযহার সরকারি ছুটি উপলক্ষ প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৮ দিন বন্ধ থাকবে। স্বভাবতই এ সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক-কর্মচারীগণ উপস্থিত থাকবেন না। এ সময়ে খেলার মাঠ, ফুলের টব এবং যে কোন পাত্রে পানি জমে এডিস মশার প্রজনন প্রক্রিয়া আরও বেগবান হয়ে উঠতে পারে। এতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে ডেঙ্গুর অধিক বিস্তার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ফলে পবিত্র ঈদ-উল আযহার ছুটিকালে এডিস মশার প্রজনন রোধে দেশের সকল প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে:
২.১ ঈদ-উল-আযহার ছুটির সময়ে একজন শিক্ষক এর নেতৃত্বে কর্মচারী, কাব স্কাউট, গার্লস গাইড, স্টুডেন্ট কাউন্সিল এবং শিক্ষার্থী সমন্বয়ে ৬ জন থেকে ১০ জনের টিম গঠন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এর আশেপাশে যে সব জায়গায় স্বচ্ছ পানি জমার সম্ভাবনা থাকে (যেমন ফুলের টব, পানির ট্যাপের আশেপাশের এলাকা, পানির পাম্প, ফ্রিজ বা এসির পানি জমার ট্রে, বাথরুমের পানির বদনা, পানির বালতি, হাইকমোড, লোকমোড, আইসক্রিম বক্স, প্লাস্টিক বক্স, ডাবের খোসা, টায়ার ইত্যাদি) সে সব জায়গা চিহ্নিত করে ১ দিন অন্তর অন্তর পরিস্কার করতে হবে।
২.২ বাথরুমের বদনা এবং বালতি পানি শুন্য করে উল্টিয়ে রাখতে হবে। হাইকমোড হারপিক ঢেলে ঢাকনা বন্ধ করে রাখতে হবে। বাথরুমের প্যানে হারপিক ঢেলে বস্তা বা অন্য কিছু দিয়ে মুখ বন্ধ করে রাখতে হবে।
২.৩ কোন জায়গায় জমাটবদ্ধ পানি থাকলে লার্ভিসাইভ স্প্রে করতে হবে অথবা জমাটবদ্ধ পানি নিঙ্কাশন করতে হবে।
২.৪ আগামী ১২-১৩ আগস্ট, ২০১৯ ব্যতীত প্রত্যহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিস কক্ষ খোলা রাখতে হবে।
২.৫ রোস্টার ডিউটির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
২.৬ ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার এ সংক্রান্ত টিমে নিয়োজিত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ ঈদের ছুটিতে গেলে তদস্থলে উপযুক্ত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
২.৭ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ২১ জুলাই ২০১৯ তারিশ্বের ৩৮.০১.০০০০.১০৭.৩৭.০০৬.২০১৯-১২০৫ সংখ্যক স্মারকে জারিকৃত পত্রের নির্দেশনা অব্যাহত থাকবে।



সারা বিশ্বের সকল খবর, সবার আগে, সত্যনিষ্ঠ জানতে- প্রভাতী২৪নিউজ

Wednesday, August 7, 2019

এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সরকারকে বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছেন সফররত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রধান কিটতত্ত্ববিদ ডা. ভূপেন্দর নাগপাল।
তিনি এডিস মশার বৈশিষ্ট্য নিয়েও বেশকিছু তথ্য দিয়েছেন।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগপালের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এর আগে তিনি ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও মালদ্বীপে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন। উনি মূলত পরামর্শ দিচ্ছেন কীভাবে আমরা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। ইতোমধ্যেই উনি আমাদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। পরামর্শ দিয়েছেন। আমরা সে অনুযায়ী কাজ শুরু করছি।

ডা. ভি নাগপাল জানিয়েছেন, একটি এডিস মশার ডিম থেকে লার্ভা হতে সময় লাগে দুই-তিন দিন। লার্ভা থেকে চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই এডিসের বাচ্চা হয়। বাচ্চা দুয়েক দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ মশায় রূপ নেয়।

এডিস মশা দুই প্রজাতির এডিস ইজিপটাই ও এডিস অ্যালবোপিকটাস। অ্যালবোপিকটাস সাধারণত গ্রামাঞ্চলে থাকে, তবে শহরেও থাকতে পারে। ইজিপটাই থাকে শহরাঞ্চলে ও এর প্রকোপই বেশি লক্ষ করা যায়। দুই প্রজাতির এডিস মশার ডিম পাড়ার আচরণ একই রকম। অনেক দিন কৃত্রিম পাত্রে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। এই দুই প্রজাতির স্ত্রী মশা মূলত ডেঙ্গুজরের ভাইরাস বহন করে এবং এদের মাধ্যমেই ডেঙ্গুজ্বর একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায়। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। বিশেষ করে সকাল বেলার প্রথম দিকে এবং বিকেল বেলার শেষদিকে অর্থাৎ সন্ধ্যার শুরুতে এডিস মশা বেশি কামড়ায়।

এই দুই মশার মধ্যে পার্থক্য হলো এডিস ইজিপটাই পিঠে বীণার মতো চিহ্ন থাকে। আর এডিস অ্যালবোপিকটাসের মশার পিঠে সাদা রডের মতো অংশ থাকে। এ দুই ধরনের মশার শরীরে কালো-সাদা ডোরাকাটা দাগ থাকে। যেকোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এই মশাগুলোর। প্লেন, ট্রেন বা যেকোনো গণপরিবহনে করে এক জায়গা থেকে অন্যত্র চলেও যেতে পারে।

বাতাস কম ও তাপমাত্রা বেশি এমন জায়গায় এডিস থাকে। দিনের বেলায় এ মশা ঘরের অন্ধকার কোনায়, বিশেষ করে আসবাবপত্রের নিচে ও ঝুলন্ত পোশাকের নিচে থাকতে পছন্দ করে।

ভি নাগপাল আরো জানান, মানুষের শরীর থেকে রক্ত খায় স্ত্রী এডিস মশা। পুরুষ এডিস মশা রক্ত খায় না। সাধারণত সূর্যাস্তের পরপরই এবং দুই ঘণ্টা আগে এডিস মশা কামড়ায়। এডিস মশা সর্বোচ্চ ৩-৪ মিটার উড়তে পারে।

সাধারত একটি স্ত্রী এডিস মশা ৬-১০০টি ডিম পাড়ে। এই ডিম কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক বছরেও নষ্ট হয় না। যখন ডিমের পাত্রটি পানিতে ভরে যায় তখনই ডিম থেকে লার্ভা হয়। শুষ্ক মৌসুমে এই মশা অনেকদূর পর্যন্ত যেতে পারে। একটি পুরুষ এডিস মশা ১০ দিন বাঁচে আর স্ত্রী মশা চার-ছয় সপ্তাহ। সংখ্যায় সামান্য হলেও এই মশার বংশবৃদ্ধি দ্রুত হয়।

এতদিন ধারণা করা হতো এডিস মশা বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানিতে বেশি থাকে। কিন্তু ভি নাগপাল জানান, এডিস মশা সবচেয়ে বেশি থাকে সরকারি পরিবহন পুলে। এসব জায়গায় সারিবদ্ধ গাড়ি, টায়ার ও পরিত্যক্ত টিউব যন্ত্রপাতিতে এডিসের বেশি লার্ভা পাওয়া গেছে। এর পরপরই এডিস থাকে হাসপাতালের নিচে খোলা জায়গায়, ছাদে, পরিত্যক্ত যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্রে। এরপর বেশি থাকে পুলিশের পরিবহন পুলে ও আটকের পর পুলিশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন স্তূপ করে রাখে।


এছাড়া বিমানবন্দরের চৌবাচ্চা ও রানওয়ের আশপাশে, পার্ক, নার্সারি, ফোয়ারা, সিভিল ডিপার্টমেন্টের নির্মাণাধীন ভবনে। সরকারি অফিসগুলো এডিসের বিস্তার বেশি। এছাড়া বাসাবাড়ির গ্যারেজে, বাড়ির মূল ফটকের লোহার গেটের ফাঁকে, পরিত্যক্ত কমোডে, বিদ্যুতের তার আটকানোর সরঞ্জামাদিতে মশা ডিম পাড়ে।

ভি নাগপাল জানান, ১৯টি জায়গায় এডিস মশা বেশি পাওয়া গেছে। এগুলো হলো- পুরনো টায়ার, লন্ড্রি ট্যাংক, ঢাকনাবিহীন চৌবাচ্চা, ড্রাম বা ব্যারেল, অন্যান্য জলাধার, পোষা প্রাণীর পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনের ব্লক, ফেলে রাখা বোতল ও টিনের ক্যান, গাছের ফোকর ও বাঁশ, দেয়ালে ঝুলে থাকা বোতল, পুরনো জুতা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত খেলনা, ছাদে, অঙ্কুরোদগম উদ্ভিদ, বাগান পরিচর্যার জিনিসপত্র, ইটের গর্ত ও অপরিচ্ছন্ন সুইমিং পুলে এডিস মশা জন্ম নেয়।

যেভাবে নিধন করতে হবে : বাড়ির ভেতর দরজা-জানালা বন্ধ করে মশার ওষুধ স্প্রে করতে হবে। খাট, চেয়ার-টেবিল ও বিছানার নিচে ওষুধ ছিটাতে হবে। যেখানে বেশি মানুষ থাকে, সেখানে এডিস মশা বেশি থাকে। সেখানে বেশি কামড়ায়। ড্রেনের মধ্যে ওষুধ ছিটালে মশা মরবে না। ওখানে মশা থাকে না।

ভি নাগপাল বলেছেন, যেখানে দিনের বেলায় লোক সমাগম বেশি থাকে যেমন অফিস-আদালত, হাটবাজার ও স্কুলে এডিস মশা বেশি কামড়ায়। যতক্ষণ পর্যন্ত পেট না ভরবে ততক্ষণ এটি কামড়াবে। একটা এডিস মশা সর্বোচ্চ ১৫ জনকে আর গড়ে পাঁচজনকে কামড়ায়। সব এডিস মশা এমনি ডেঙ্গু ভাইরাস বহন করে না। কিন্তু ডেঙ্গুবাহী এডিস মশার কামড়ে কোনো ব্যক্তি আক্রান্ত হলে সেই ব্যক্তিকে কোনো ভাইরাসমুক্ত এডিস মশা কামড়ালে সেই মশার মধ্যে ভাইরাস সংক্রমিত হবে।

ওই মশা যে ডিম পাড়বে তা ফুটে বাচ্চা বের হলে শতকরা ৬০ ভাগের মধ্যে ডেঙ্গু ভাইরাস থাকবে। অন্য মশার ক্ষেত্রে এমনটা হয় না। কোনো ব্যক্তিকে কামড়ানোর পর সেই মশা আবার অন্য কাউকে কামড়ালে সেই ব্যক্তির ডেঙ্গু হতে পারে। এ কারণেই বর্তমান সময়ে বেশি লোক ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, শুধু মশার ওষুধ ছিটালেই হবে না। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী মশার ওষুধ জায়গামতো ছিটাতে হবে। ভি নাগপাল বলেছেন, উড়ন্ত মশা মারতে হলে সূর্যোদের পরপরই এবং সূর্যাস্তের আগে ওষুধ ছিটাতে হবে। ফগিং মেশিনে ছিটানো ওষুধে শুধু উড়ন্ত মশা মরে, লার্ভা ধ্বংস হয় না।

ভি নাগপাল জানান, এডিস মশা খুব অল্প পানিতে (৫ মিলি বা ১ চা চামচ পানি) ডিম পাড়ে যা পানি ছাড়াও প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। লার্ভা ধ্বংসে টেমিফস ১ গ্রাম/১০ লিটার পানিতে খুব কার্যকরী, যা ব্যবহার পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। নির্মাণাধীন ভবনের প্রজননস্থল ধ্বংস করে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত রোগের প্রাদুর্ভাব কমানো সম্ভব।


সারা বিশ্বের সকল খবর, সবার আগে, জানতে- প্রভাতী২৪নিউজ

সারা বিশ্বের সকল খবর, সবার আগে  জানতে- প্রভাতী২৪নিউজ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ফেঁসে যেতে পারে (বিএনএ) সভাপতি খাঁন মো. গোলাম মোর্শেদ।

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ফেঁসে যেতে পারে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএনএ) সভাপতি খাঁন মো. গোলাম মোর্শেদ।   ২০১৩ সালে সরকার একটি রাষ্ট্রপতি...